নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় বইছে আনন্দের জোয়ার। এমবিবিএস ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে চিকিৎসক হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেছেন উপজেলার কৃতী সন্তান ডা. শামসুল হুদা চৌধুরী সজীব। তাঁর এ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার-পরিজন, স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ পুরো কমলনগর উপজেলাবাসী।
ডা. শামসুল হুদা চৌধুরী সজীব কমলনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতি আলহাজ নুরুল হুদা চৌধুরীর বড় ছেলে। তাঁর এ অর্জনকে পরিবার ও এলাকার জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। সজীবের এই সাফল্য উপজেলার তরুণ প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন অনেকে।
নিজের ছেলের এমন অর্জনে আবেগাপ্লুত আলহাজ নুরুল হুদা চৌধুরী জানান, ছোটবেলা থেকেই সজীবের স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়ার। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ছেলের এই সাফল্যে তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। একই সঙ্গে সজীব যেন ভবিষ্যতে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, সজীবের স্বপ্ন শুধু চিকিৎসক হওয়া নয়, বরং মানুষের সেবা করা। ভবিষ্যতে সে যেন বিনামূল্যে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা দিতে পারে, এটাই তাঁর প্রত্যাশা। একজন চিকিৎসক হিসেবে সজীব মানবিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে মানুষের পাশে থাকবে—এমন আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
সজীবের এই সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কমলনগর উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনেকে।
স্থানীয়দের মতে, চিকিৎসা পেশা শুধু একটি সম্মানজনক পেশাই নয়, এটি মানুষের সেবা করারও একটি মহৎ সুযোগ। তাই ডা. শামসুল হুদা চৌধুরী সজীব তাঁর অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখবেন—এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
নবীন চিকিৎসক ডা. শামসুল হুদা চৌধুরী সজীবের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন তাঁর পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং কমলনগর উপজেলাবাসী। তাঁর হাত ধরে মানবিক চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে অসংখ্য অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটুক—এমন প্রত্যাশা সবার। ডা. শামসুল হুদা চৌধুরী সজীব জানান,বাবার শপ্ন পূরণ হয়েছে, চিকিৎসা সেবায় সবার জন্য নিজেকে সর্বোচ্চ উৎসর্গ করবো,কমলনগরের প্রত্যন্ত এলাকায় আমি বেড়ে উঠেছি অবহেলিত মানুষের চিকিৎসা সেবায় আবারও ফিরে আসবো ইন্সোয়াল্লাহ।